Showing posts with label bd. Show all posts
Showing posts with label bd. Show all posts

Saturday, June 29, 2019

Make Shorter link your long link [long link to short link] কি ভাবে ছোট লিংক বানাবেন

Fast you need a short link maker software or WEB SITE.You can use any long link to make short link.
Is very easy 
GO TO Bitly
and copy your link


 Paste you link in here & Click Shorten



 Then you Get you short link 
Now copy 
and 
use your Link any where you want 



Thanks for view
IF you need Photoshop Service 

Sunday, May 26, 2019

বঙ্গবন্ধু এসেছে ফিরে বাংলার মানুষের কাছে

বঙ্গবন্ধুকে যারা ছবি কিংবা টেলিবিশনে দেখেছি ।তারা হয়তো এই লোক টিকে দেখে চমকে উঠবে ।
মনে হবে জেনো বাস্তবেই বঙ্গবন্ধুকে দেখেছেন ।
এটি কোন মূতি বা মেকআপ করা কোন মানুষ নয় ।
দেখতে বঙ্গবন্ধু মত এক জন।
কে তিনি ?
তিনি এর কেউ নয়
বঙ্গবন্ধু এলাকার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার আরুক মুন্সি  ।
তিনি দেখতে যেমন বঙ্গবন্ধু মত তেমনি ভাবে পোশাক পরেন বঙ্গবন্ধু মত ।
লোকে তাকে দেখলে বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু ভাবে ছবি তোলে 

Sunday, May 5, 2019

HSC Result 2023 | HSC Result 2023 SMS এর মাধ্যমে দেখার নিয়াম

 

HSC RESULT 2019

Click HERE দেখতে View করুন 

 



 
SMS এর মাধ্যমে  দেখার নিয়াম
SSC<space>First 03 Letters of Board Name<space>ROLL<space>YEAR
এরপর পাঠিয়ে দিতে হবে 16222 নম্বরে।
 

Result LINK http://www.educationboardresults.gov.bd/

Rommjan Time 2019 ইফতার ও সাহারির সময়


পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ।রোজা পালনে সাহরি ও ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব। সাহরি খাওয়ার পর রোজা নিয়ত করা জরুরি।

রোজার নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।


ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া

اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم


আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দোয়া পড়ে ইফতার করা

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের পর আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়া

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’
অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

Wednesday, May 1, 2019

Search Engine Optimization (SEO)

SEO  কী? 

SEO এর পূর্ণরূপ হল Search Engine Optimization.
অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট কে Search Engine এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা বা যুক্ত করা বা সাবমিট করা।

এখন আবার অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন ভাইয়া সার্চ ইঞ্জিন কি? তাই বলে রাখা ভাল, "যে সকল সাইট আমাদের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে দিতে সাহায্য করে ওই সকল সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন বলে. যেমনঃ গুগল, ইয়াহু, বিং,আস্ক ইত্যাদি।

SEO এর প্রকারভেদঃ
SEO মূলত দুই প্রকার,
(I) White Hat SEO
(II) Black Hat SEO

(I) White Hat SEO: কোন Website কে Rank করানোর জন্য Search Engine এর Algorithm কে ফাঁকি না দিয়ে অর্থাৎ নিয়ম মেনে যে SEO করা হয় তাকে White Hat SEO বলে।
(II) Black Hat SEO: কোন Website কে Rank করানোর জন্য Search Engine এর Algorithm কে ফাঁকি দিয়ে অর্থাৎ নিয়ম না মেনে যে SEO করা হয় তাকে Black Hat SEO বলে।এটা দণ্ডনীয় অপরাধ।

SEO এর প্রয়োজনীয়তা এবং এর কাজঃ 

যখন আমরা কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট খুলি তখন আমাদের প্রয়োজন হয় ট্রাফিক বা ভিজিটর। আর এই ট্রাফিক বা ভিজিটর ছাড়া আমাদের সাইটগুলো নিঃপ্রান।কারণ ভিজিটর না থাকলে কোম্পানি গুলো তাদের পণ্য কিভাবে বিক্রি করবে আর কেনই বা আমার আপনার মত ব্লগারদের অ্যাড দিবে।তাই ভিজিটর একটা সাইটের জন্য মূখ্য বিষয়। যখন সাইটে ভিজিটর থাকে না তখন আমাদের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কিভাবে সাইটে ভিজিটর আনা যায়।। আর তখনই কিন্তু আমাদের চোখ যায় সার্চ ইঞ্জিন গুলোর উপর।কারণ বর্তমানে গুগল ব্যবহার করেন না এমন লোক খুব কমই আছে হয়ত।এখন একটা কথা, গুগলে আমরা কি করি? অনেকে বলবে গুগলে আমরা সার্চ করি। ঠিক আছে কিন্তু একবার ভাবুন তো আমরা সার্চ করার পর যে কাঙ্ক্ষিত ফলাফলটা পাই সেটা কি গুগলের নিজস্ব?উত্তর, না।।তাহলে গুগল এটা পাই কোথায়? অবশ্যই তার ডাটাবেজ থেকে দেয় যদিও কন্টেন্ট গুলো তার নিজের না।এখন প্রশ্ন আসতে পারে সে তার ডাটাবেজে কিভাবে পাই? এবারই আপনি আসল কথা বলেছেন, আমরা যখন আমাদের ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সাবমিট করি তখন Google Bot এর Crawler আমাদের সাইটে Crawl করতে থাকে এবং যে গুলিতে আমাদের অনুমতি থাকে সেই সকল কন্টেন্ট তার নিজস্ব ডাটাবেজ এ সংরক্ষণ করতে থাকে।আর আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করি তখন সে তার ডাটাবেজ থেকে আমাদের সেগুলিকে দেয়।আর এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে ট্যাগ এবং কন্টেন্ট এর ধরণ। আর SEO করার ফলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো আমাদের সাইটের মান নির্ধারণ করে এবং আমাদের সাইটগুলোকে অন্যদের থেকে বেশি প্রাধান্য দেয়।এভাবেই আমাদের সাইটগুলো সার্চ ইঞ্জিন এ Rank করে।
তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম SEO এর কাজ হচ্ছে আমাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট কে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সাবমিট করা এবং আমাদের কন্টেন্ট দেখিয়ে প্রচুর পরিমাণ ভিজিটর আনা এবং সার্চ ইঞ্জিন এ আমাদের সাইটকে Rank করানো।
যদিও SEO একটি বিস্তর বিষয়বস্তু তবুও চেষ্টা করেছি শুধুমাত্র SEO এবং SEO এর কাজ কি সেটা বোঝানোর।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে,
একটা সাইটের SEO কিভাবে করতে হয়?
তাহলে আমি বলব, এই সম্পর্কে লিখতে গেলে পুরো একটা বই লিখে ফেলা সম্ভব।তবুও কিছু না কিছু থেকেই যাবে, কারণ SEO এর উপর Freelancer Market গুলোতে প্রচুর পরিমাণ কাজ আছে আর এই সকল কাজ করে অনেক SEO Expart হাজার হাজার কি লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।আর যেহেতু সার্চ ইঞ্জিনগুলো প্রতিনিয়ত তাদের অ্যালগরিদম এর পরিবর্তন করছে তাই SEO এর ক্ষেত্রেও অনেক পরিবর্তন আসে।
যাই হোক সবগুলো বিশ্লেষণ করা সম্ভব না তাই আমি মূখ্য বিষয় গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করব।
যখন আমরা আমাদের সাইট এর এসইও করি তখন আমাদের সাইটের উপর প্রচুর কাজ করা লাগে।কারণ ইউটিউব এর থেকে এইদিকে কম্পিটিশন টা খুব বেশি এবং কোম্পানিগুলো সরাসরি এই কম্পিটিশন এ যোগ দেয়।।

একটি সাইটের এসইও করতে তার মুখ্য বিষয়গুলো হলঃ
১।অন পেজ অপ্টিমাইজেশন
২।অফ পেজ অপ্টিমাইজেশন
৩।ব্যাকলিংক
৪।লিংক বিল্ডিং
৫।সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।
সবগুলো বিশ্লেষণ করা সম্ভব না তবে ব্যাকলিংক ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে YouTube SEO এর ভিতরে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ।

আশাকরি SEO সম্পর্কে আপনারা কিছুটা হলেও ধারণা পেয়েছেন।

Saturday, December 1, 2018

About KeyBoard

কীবোর্ডপরিচিতিঃ
 একটি কীবোর্ডে মোট ৮৪ থেকে ১০১টি কোন কোন কীবোর্ডে আবার ১০২টি কী থাকে।ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কীবোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
 যেমনঃ (১) ফাংশন কী (২)এ্যারো কী (৩) আলফা বেটিক কী (৪) নিউমেরিক বা লজিক্যাল কী (৫) এছাড়া আরও বেশ কিছু কী আছে যেগুলোকে ‘বিশেষ কী’ হিসেবে ধরা যায়।কীবোর্ডকে আবার তিনটি অংশে ভাগ করে নেওয়া যায়। যেমন বাম পাশের অংশ, মাঝের অংশ ও ডান পাশের অংশ।

(১) ফাংশন কীঃ কীবোর্ডের বাম পাশের অংশে সবচেয়ে উপরে এক লাইনে পাশাপাশি এফ১ থেকে এফ১২ আবার কোন কীবোর্ডে এফ১৫ পর্যন্ত কী থাকে এই কীগুলোকে ফাংশন কী বলে। এগুলো প্রত্যেকেই স্বয়ং সম্পূর্ণ এক একটি নির্দেশ বা কমান্ড কী।
(২) এ্যারো কীঃ কীবোর্ডের মাঝের অংশে নীচে চারটি তীর চিহ্নিত কী আছে, এদেরকে অ্যারো কী বলে।কোন ডকুমেন্ট ফাইলে কাজ করার সময় এটা ব্যবহার করে মাউসের পয়েন্টারকে উপরে-নীচে, ডানে-বামে সরানো যায়।
(৩)আলফা বেটিক কীঃ কীবোর্ডের বাম পাশের অংশে যেখানে এ থেকে জেড পর্যন্ত (কিউ থেকে এম) কীগুলো সাজানো রয়েছ এই অংশকে আলফা বেটিক অংশ এবং এই কীগুলোকে আলফা বেটিক কী বলে।
(৪) নিউমেরিক বা লজিক্যাল কীঃ বামপাশের অংশে ফাংশন কী এর নীচের লাইনে ১ থেকে ০ পর্যন্ত সংখ্যা এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন সম্বলিত কীগুলোকে নিউমেরিক বা লজিক্যাল কী বলে। এছাড়া কীবোর্ডের ডান পাশের অংশেও অনুরূপ সংখ্যা ও সাংকেতিক চিহ্নযুক্ত কী আছে এগুলোও এই লজিক্যাল কী এর অংশভুক্ত।
(৫) বিশেষ কীঃ কীবোর্ডের অনেকগুলো কী বিশেষ বিশেষ কার্যসম্পন্ন করে থাকে।কাজের বিশেষত্বে এদেরকে বিশেষ কী বলা যায়। যেমন-
(ক) Esc: ইএসসি কীঃ কম্পিউটারে প্রদাণ করা কোন নির্দেশ পালনের আগেই সেটা বাতিল করার জন্য এই কী ব্যবহার হয়।
(খ) Tab: ট্যাব কীঃ এই কী দ্বারা কোন তথ্য বা লেখা ডকুমেন্ট লাইনকে নির্দিষ্ট দুরত্বে সরিয়ে নেওয়া যায়।
(গ) Caps Lock: ক্যাপস লক কীঃ কীবোর্ডের নিউমেরিক ও অলফাবেটিক কীগুলোর প্রতিটি কী-তে তিনটে করে অক্ষর থাকে এবং এগুলো উপরে ও নীচের অংশে বিভক্ত থাকে। সাধারণত: ক্যাপস লক কী অফ অবস্থায় থাকে এবং এ ইংরেজী ছোট হাতের লেখা বা স্মল লেটার লেখা হয়। কিন্তু বাংলা অক্ষর লেখার ক্ষেত্রে নীচের অংশের লেখাগুলো লেখা যায়। এটা আবার লোয়ার কেস বলে। ক্যাপস লক কী অন থাকলে ইংরেজী হাতের লেখা বড় হাতের হয় অর্থাৎ ক্যাপিটাল লেটার হয়। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে অবশ্য উপরের অংশের অক্ষরগুলো লেখা হয়।এটাকে আপার কেস বলে।এই কী অন থাকলে কীবোর্ডের ডান পাশে কোণায় ছোট একটি বাতি জ্বলতে থাকে।
(ঘ) Shift: শিফট কীঃ এই কী চেপে ধরে লিখলে বড় হাতের বা ক্যাপিটাল লেটার লেখা হয় বাংলায় উপরের লেখাগুলো লেখা যায়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে কমান্ড সহযোগি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
(ঙ) Ctrl: এটা একটি কমান্ড কী বা কম্পিউটারকে নির্দেশ প্রদাণের কী। কিন্তু এটা ফাংশন  সিটিআরএল কীঃকীগুলোর মতো স্বয়ং সম্পূর্ণ নয়। এই বোতাম চেপে ধরে কীবোর্ডথেকে অন্য অক্ষরযুক্ত বোতাম চেপে কমান্ড মিতে হয়।
(চ) Alt: এএলটি কীঃ বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য সহযোগি কমান্ড কী হিসেবে কাজ করে।
(ছ) Space Bar স্পেসবার কীঃ কীবোর্ডের সবচেয়ে বড় বোতাম এটি। পাশাপাশি কিছু অক্ষর বা শব্দের মধ্যে বিরতি বা ফাক তৈরীর কাজে এই কী ব্যবহার করা হয়।
(জ) Delete ডেল বা ডিলেট কীঃ ডকুমেন্টের কোন অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহৃত হয়।
(ঝ) Enter কীঃ এটি মূলত: একটি কমান্ড কী। কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। লেখার সময় নতুন প্যারা তৈরীতেও একে ব্যবহার করা হয়।
(ঞ) Pushe/Break: কম্পিউটারে কোন লেখা দ্রুতগতির কারণে পড়তে অসুবিধা হলে এই কী চাপ দিয়ে তা পড়া যায়।
(ট) Print Screen: কম্পিউটারের পর্দায় দৃশ্যত যা কিছু থাকে তা প্রিন্ট নিতে এই কী ব্যবহার করা হয়।
(ঠ) Home : এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার প্রথমে আনা যায়।
(ড) End : এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার শেষে আনা যায়।
(ঢ) Page Up: এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার উপরের দিকে নেওয়া যায়।
(ণ) Page Down: এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার নীচের দিকে নেওয়া যায়।
(ত) Insert: কোন লেখার মাঝে লিখলে তা সাধারণত লেখার পানদিকে লেখা হয়, কিন্তু এই ব্যবহার করে লিখলে তা আগের লেখা বর্ণের উপর ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা আগের অবস্থানে ফিরে আসে।
(থ) Back Space: লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।
(দ) Num Look: এই কী চাপা থাকলে কীবোর্ডের ডান পাশের অংশের কীগুলো চালু হয়।এটা চালু থাকলে কীবোর্ডের ডান কোনায় ছোট বাতি জ্বলতে থাকে।
(ধ) Start Menu key: এই কী চেপে ষ্ট্যাট মেনুর বিভিন্ন প্রোগ্রাম ওপেন করা যায়।
এছাড়াও মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ডে আরও তিনটি কী দেখা যায়, যেমন-
(ন) Stand by Mood: এই কী চাপলে কম্পিউটার ষ্ট্যান্ড বাই মডে চালু থাকবে কিন্তু মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে।
(প) Mail key: এই কী চাপলে আউট লুক এক্সপ্রেস চালু হয় এবং তা দিয়ে মেইল পাঠানো বা মেইল পড়া যায়।তবে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।
(ফ) Web key : এই কী ব্যবহার করে সরাসরি ইন্টারনেট ব্রাউজার ওপেন করা যায় এবং ব্রাউজ করা যায়

WiFi HacKing by KALI

কালি লিনাক্স
যারা কালি লিনাক্স Use করেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।।
 লিনাক্স ইন্সটল করবেন।

১)প্রথমে আপনার কালি লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম টি ওপেন করবেন।
Kali linux এর যে Tools গুলা লাগবে তা হল==
★airmon-ng
★airdump-ng
★aircrack-ng
উপরে দেওয়া Tools গুলা কাজে লাগবে★
২)প্রথমেই আপনার ওয়াইফাই কার্ড টিকে মনিটর মুডে নিয়ে জেতে হবে!!!! ||
এখন প্রশ্ন হলো monitor mod আবার কি???
★মনিটর মুড হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন ওয়ারলেস কার্ড সুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট রাউটারের ডাটা না দেখে সকল রাউটার এর প্রেরিত তথ্য যথাক্রমে তার সিগ্নাল তার সাথে সংযুক্ত ডিভাইস ইত্যাদি দেখার চেস্টা করবে।।।অথবা দেখবে ঠিক সেই অবস্থাকেই মনিটর মুড বলে।।★
চলুন কাজে আসা যাক
১★
ipconfig. আপনাকে মনিটর মুড এ নিয়ে জাবে
1)নতুন একটি টেব খুলুন এখন টাইপ করুন
airmong-ng check kill
proccess কিল হবে
এখানে Pid Name আসবে
আবার টারমিনালে টাইপ করেন airmong-ng check
3) আরেকটি টেব খুলুন
এখন আপনার মনিটর মুড চালু করতে হবে
টাইপ করুন
airmon-ng start wlan0
৪)এখানে অনেক কমান্ড দেখাবে আপনি টাইপ করবেন
airodump-ng wlan0mon
এন্টার করার সাথে সাথে আপনার আশেপাশের ওয়াইফাই গুলা পাবেন
যেমন আমি ২ টি পেয়েছি নিচে দেখুন
৫)উপরের যেই টি আমি হ্যাক করব সেটির BSSIC COAD টী কপি করব
এখন টারমিনাল এ লিখব
reaver -1 wlan0mon -b আগে কপি করে রেখেছেন যেটি -vv -k1

Tuesday, November 6, 2018

How to learn English

How to learn English

আপনি কি ইংলিশ দক্ষ হতে চান
সব সময় ইংলিশে কথা বলার জন্য এমন কাউকে খুছেন ? 
তাহলে ভিজিট করুন ঃ speaking24.com
এখানে পেয়ে যাবেন এমন অনেক কে । যে অপেক্ষায় থাকবে আপনার ।
আপনার লাগবে একটি Skype ID





এখানে ভিজিত করার পর আপনাকে কিছু তথ্য দিতে হবে । 
এর পর থেকে আপনি ইংরেজি অনুশীলন করতে পারবেন ।